গাইড
তোমার জন্য টিপস
তোমার জন্য টিপস. একটু থামো এবং পানি পান করো — তোমার আর শিশুর দুজনের জন্যই সহজ। সারাদিন হাতের কাছে এক গ্লাস পানি রাখো। সকালে এক গ্লাস পানি শরীরকে মৃদুভাবে জাগিয়ে তোলে।
এক চুমুক পানি
এক চুমুক পানি
একটু থামো এবং পানি পান করো — তোমার আর শিশুর দুজনের জন্যই সহজ।
পান করতে থাকো
সারাদিন হাতের কাছে এক গ্লাস পানি রাখো।
পানি দিয়ে শুরু করো
সকালে এক গ্লাস পানি শরীরকে মৃদুভাবে জাগিয়ে তোলে।
ছোট ছোট চুমুক
অল্প অল্প করে বারবার পান করা একসাথে অনেকটার চেয়ে ভালো।
পানি হলো যত্ন
আজকের প্রতিটা চুমুক তোমার দুজনের জন্য কাজ করছে।
গরমের দিন? পান করো
গরমে শরীর বেশি পানি চায় — সেই ডাক শোনো।
ঘুমের আগে
ঘুমানোর এক ঘণ্টা আগে একটু পানি পান করলে রাতটা শান্তির হবে।
পানিতে নতুন স্বাদ
সাদা পানি একঘেয়ে লাগলে লেবু বা পুদিনা পাতা মিশিয়ে দাও।
সাথে বোতল রাখো
হাঁটতে বা ডাক্তারের কাছে যাওয়ার সময় পানি সাথে নিয়ে যাও।
গরম পানি ট্রাই করো
ঠান্ডা পানি ভালো না লাগলে ঘরের তাপমাত্রার পানি চেষ্টা করো।
গ্লাস গুনে রাখো
এখানে যা পান করো তা লগ করো — হিসাব রাখা সহজ হবে।
আগে এক চুমুক
তৃষ্ণাকে ক্ষুধা মনে হতে পারে। আগে এক চুমুক পানি পান করো।
আরেকটু পান করো
এই মুহূর্তটা পান করার জন্য সঠিক।
হালকা স্ন্যাক
হালকা স্ন্যাক
ফল বা এক মুঠো বাদাম দুপুরের খাবার পর্যন্ত তোমাকে ধরে রাখবে।
ক্ষুধা মেনে চলো
কম স্বস্তি লাগলে বারবার অল্প অল্প করে খাও।
প্লেটে রং আনো
খাবার যত রঙিন, তোমার দুজনের জন্য তত মজার।
সকালের খাবার বাদ দিও না
ছোট হলেও সকালের খাবার পুরো দিনের সুর বেঁধে দেয়।
ব্যাগে স্ন্যাক রাখো
জাস্ট ইন কেস একটা আপেল বা কিছু বাদাম ব্যাগে রেখে দাও।
তাড়া নেই
আস্তে আস্তে খাও আর উপভোগ করো — এই বিরতিটা তুমি পেতেই পারো।
মিষ্টি খেতে ইচ্ছে?
ঠিক আছে। একটা ফল বেছে নাও — সুস্বাদু আর মৃদু।
প্রোটিন যোগ করো
দই বা ডিম তোমাকে বেশিক্ষণ পেট ভরা রাখবে।
দুপুরে সবুজ
প্লেটে যতটা পারো সবুজ খাবার যোগ করো।
অল্প অল্প করে
বমিভাব লাগলে কম করে বেশিবার খাও।
মজুদ রাখো
বাড়িতে সহজ আর পুষ্টিকর কিছু রেখে দাও।
সচেতনভাবে খাও
ফোন রেখে দাও এবং খাবারের স্বাদ নাও।
নিজের জন্য এক মিনিট
নিজের জন্য এক মিনিট
একটা গরম পানীয় আর কয়েকটা শ্বাস — তুমি এটা পেতেই পারো।
একটু থামো
এক মিনিটের জন্য থামো; বাকি সব অপেক্ষা করতে পারে।
গভীর শ্বাস
৪ সেকেন্ড শ্বাস নাও, ৬ সেকেন্ড ছাড়ো — কাঁধের টান কমে যাবে।
নীরবতা সারিয়ে তোলে
এক মিনিট চোখ বন্ধ করো; শান্তি শিশুর কাছেও পৌঁছায়।
বিশ্রাম নাও, দোষ ছাড়া
দিনের বেলা শুয়ে পড়া তোমার দুজনের যত্ন — অলসতা নয়।
উষ্ণ মুহূর্ত
ফোন ছাড়া এক কাপ চা ছোট একটা বিলাসিতা।
ধীরে নাও
আজ তোমাকে কোথাও তাড়াহুড়ো করতে হবে না।
কাঁধের টান ছাড়ো
কোথায় টেনশন ধরে রেখেছ খেয়াল করো এবং আস্তে ছেড়ে দাও।
পা উঁচু করো
কয়েক মিনিট পা তুলে শুয়ে থাকো — ফোলাভাব কমে।
গরম ঝরনা
ক্লান্ত? গরম পানি তোমাকে মৃদুভাবে শিথিল করবে।
একটা শ্বাস
এখনই একটা গভীর শ্বাস নাও।
কাজের তালিকা সরিয়ে রাখো
তালিকা অপেক্ষা করতে পারে। এখন তোমার বিশ্রামের সময়।
নরম আলো
সন্ধ্যায় আলো কমিয়ে নাও; ঘুমের প্রস্তুতি সহজ হবে।
ভিটামিন খেয়েছ?
ভিটামিন খেয়েছ?
দুজনের জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ এই ছোট অভ্যাসটা।
মিস করো না
ভিটামিন পানির কাছে রাখো যাতে মনে থাকে।
সকালের রিচুয়াল
সকালের খাবারের সাথে ভিটামিন মিলিয়ে নাও — মনে রাখা সহজ।
ছোট পদক্ষেপ
আজকের একটা ডোজ শান্তির দিকে এক ধাপ।
যত্নের অভ্যাস
সকালের কয়েক সেকেন্ড আর আজকের কাজ হয়ে গেল।
পানির সাথে
পানির সাথে খাও — একসাথে দুটো কাজ হয়ে যায়।
মজুদ পরীক্ষা করো
ভিটামিন শেষ হওয়ার আগেই নতুন কিনে রাখো।
রুটিনের সাথে মেলাও
সকালের খাবারের সময় বা দাঁত মাজার সময় খেয়ে নাও।
মৃদু রিমাইন্ডার
মাথায় না রাখতে নরম একটা রিমাইন্ডার সেট করো।
ইতিমধ্যে খেয়েছ?
খেয়ে থাকলে — দারুণ, একটুখানি যত্ন হয়ে গেছে।
পেটটা জড়িয়ে ধরো
পেটটা জড়িয়ে ধরো
শিশু তোমার উষ্ণতা অনুভব করে। একটু সময় একসাথে কাটাও।
শিশুর সাথে কথা বলো
সে ইতিমধ্যে তোমার গলা চেনে। কয়েকটা কথা বলো।
তুমি দারুণ করছ
তোমার শরীর এখন অসাধারণ কাজ করছে।
সংযুক্ত হওয়ার মুহূর্ত
পেটের উপর হাত রাখো এবং শুধু এখানে থাকো।
নিজের সাথে সদয় থাকো
আজকের 'যথেষ্ট' ইতিমধ্যেই অনেক।
নড়াচড়া অনুভব করো
এক মিনিট থামো এবং শিশুর সাথে মনোযোগ দিয়ে থাকো।
এটা তোমার সময়
কোনো কাজ নেই — শুধু তুমি আর শিশু।
ছোট্ট ধন্যবাদ
যা কিছু করছ তার জন্য নিজেকে ধন্যবাদ জানাও।
এই মুহূর্তটা ধরে রাখো
আজ যা অনুভব করছ তা ডায়েরিতে লিখে রাখো।
তুমি সামলে নিচ্ছ
কঠিন দিনেও তুমি যথেষ্ট করছ।
অতিরিক্তটা ছেড়ে দাও
সবকিছু আজই হতে হবে না।
উষ্ণ ভাবনা
এক মিনিট হেসে শিশুর কথা ভাবো।
সাহায্য চাও
কাছের মানুষদের তোমাকে সাহায্য করতে দাও।
জুতো খুলে ফেলো
পাগুলো একটু বিশ্রাম দাও — সারাদিন দাঁড়িয়ে আছ।
কাঁধ আলগা করো
কাঁধ আলগা করো
কাঁধ ধীরে কয়েকবার ঘোরালে টেনশন কমবে।
মৃদুভাবে স্ট্রেচ করো
সাবধানে উপরে হাত তোলো — পিঠ ধন্যবাদ বলবে।
উঠে নাড়াচাড়া করো
অনেকক্ষণ বসে থাকলে একটু হেঁটে আসো।
মৃদু ওয়ার্ম-আপ
কব্জি ও ঘাড় ঘোরাও, হঠাৎ কিছু নয়।
হালকা ব্যায়াম
কিছু শান্ত নড়াচড়া শরীরকে জাগিয়ে তোলে।
একটু দুলে নাও
মৃদু হিপ সোয়ে পিঠের নিচের অংশ শিথিল করে।
আকাশের দিকে হাত তোলো
দুই হাত উঁচু করো এবং নরমভাবে স্ট্রেচ করো।
কাঁধ ঘোরাও
পেছনের দিকে কয়েকবার ধীরে ঘোরালে মেরুদণ্ড হালকা লাগবে।
পাশে ঝুঁকো
পাশটা মৃদুভাবে স্ট্রেচ করো, হঠাৎ নড়াচড়া নয়।
শরীর জাগাও
উঠে দাঁড়াও, স্ট্রেচ করো, কয়েক ধাপ শান্তিতে হাঁটো।
ঘাড় নরম করো
মাথা আস্তে আস্তে বাঁয়ে ও ডানে ঘোরাও।